ইন্ডিয়ার মেডিকেল ভিসার আবেদন করার জন্য আমাদের মেইলে বা হোয়াটসঅ্যাপে যেসকল কাগজপত্র দিতে হবেঃ-
- আপনার সদ্য তোলা সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের ছবি ২ ইঞ্চি x ২ ইঞ্চি আমাদের মেইলে দিবেন।
- ছবি এডিট না করা থাকলে তুলে মেইলে দিলে আমরা এডিট করে নিবো ও আপনাকে প্রিন্ট করার জন্য কপি দিয়ে দিবো। সেক্ষেত্রে আলাদা ৫০ টাকা চার্জ প্রযোজ্য।
- আপনার পাসপোর্টের ছবি।
- ইন্ডিয়ার ডাক্তারের এপয়েন্টমেন্ট। এপয়েন্টমেন্ট না নিয়ে থাকলে আমাদের মাধ্যমে নিতে পারবেন, এর জন্য এপয়েন্টমেন্ট চার্জ দিতে হবে।
- আপনার পেশা কি, সেটা জানাবেন।
- সম্প্রতি বাংলাদেশের ডাক্তারকে দেখানো ১ টি প্রেসক্রিপশনের ছবি।
- আপনার ইমেইল ও মোবাইল নাম্বার। ইমেইল না থাকলে দিতে হবেনা।
- পুরাতন ইন্ডিয়ান ভিসা থাকলে সেই ভিসার ছবি। আর ইন্ডিয়ার কোথায় ও কি জন্য গিয়েছিলেন সেটা জানাবেন।
- আপনার পরিবারের যেকোন একজন সদস্যদের নাম ও মোবাইল নাম্বার।
- কি সমস্যার জন্য ইন্ডিয়ায় ডাক্তার দেখাতে যাবেন সেটি জানাবেন।
- কোন বর্ডার দিয়ে যেতে চান সেটি জানাবেন।
ইন্ডিয়ার মেডিকেল ভিসার আবেদন করে নিন আমাদের কাছ থেকে। আমরা দক্ষতার সঙ্গে আপনার মেডিকেল ভিসার আবেদন করে ভিসার আবেদন ফি অনলাইনে জমা দিয়ে দিবো। এরপর কিভাবে সমস্ত কাগজপত্র সাজিয়ে ভিসা অফিসে জমা দিবেন সেই বিষয়ে বিস্তারিত সাহায্য করবো। আমাদের থেকে অংসখ্য মানুষ ভিসার আবেদন করে নিচ্ছে ও ১০০% ভিসা হচ্ছে। আমরা যেভাবে আবেদন করে থাকি, এতে করে ভিসা মিস হবার চান্স খুবই কম থাকে। আপনার সকল তথ্য সঠিক থাকলে আমাদের সিস্টেমে আবেদন করলে আশা করি ভিসা হবে। তবে ভিসার ব্যাপার সম্পূর্ন ইন্ডিয়ার এমব্যাসির হাতে, কোন কারণে ভিসা না হলে আমাদের করণীয় কিছুই নেই।
আমরা আবেদন করে আবেদন ফর্ম ও পেমেন্ট স্লিপ আপনাকে মেইলে দিয়ে দিবো। আপনাকে
যেভাবে বলবো সেভাবে কাগজ সাজিয়ে ছবি লাগিয়ে/স্বাক্ষর করে পিনআপ করে ভিসা অফিসে জমা দিলেই হয়ে যাবে
।
আমাদের থেকে অসংখ্য মানুষ ভিসার আবেদন এভাবে করে নিয়ে ১০০% কনফার্ম
মেডিকেল ভিসা পাচ্ছে। অতএব নিশ্চিন্তে আমাদের থেকে কম খরচে ইন্ডিয়ান
মেডিকেল ভিসার আবেদন করে নিতে পারেন। আমাদের পেজ - It School - প্রযুক্তির স্কুল
আবেদনের পর জমা দেবার আগে কি কি লাগবে?
- আবেদন ফর্ম ও পেমেন্ট স্লিপ।
- পাসপোর্টের ২, ৩ নম্বর পেজের ফটোকপি ।
- ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা ডলার এনডোর্স এর প্রমাণপত্র।
- ইন্ডিয়ার ডাক্তারের এপয়েন্টমেন্ট লেটার।
- বাংলাদেশের ডাক্তারের কাগজপত্র/রিপোর্ট এর ফটোকপি।
- NID কার্ডের ফটোকপি। NID না থাকলে জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি।
- পেশাগত প্রমাণপত্র
- ইউটিলিটি বিলের কাগজ (যেমন বিদ্যুৎ বিল, টেলিফোন বিল)


0 Comments